বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আনোয়ারা পচ্ছিম রায়পুর লোকনাথ সেবাশ্রমে ত্রিকালদর্শী শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ২৯১ তম আবির্ভাব দিবস সম্পন্ন আনোয়ারায় সৎসঙ্গের বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত বাঁশখালী ঋষিমঠের অনাথ শিশুদের পাশে প্রকৌশলী বিপ্লব দাশ বাপ্পী সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঐক্যবদ্ধ সনাতন সমাজের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ বান্দরবানে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের প্রতিবাদে ও মানববন্ধনে পুলিশের বাধা। আবারও প্রতিমা ভাঙচুর  বগুড়া শেরপুরে চন্ডিজান দক্ষিণপাড়া কালীমন্দিরের শ্রীমঙ্গলে খুলনা জেলার রুপসায় হিন্দু পরিবারে হামলা, লুটপাট ও ভাংচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। বাঁশখালী ইউএনও সাথে করোনা মৃতদেহ সৎকার সংঘের সৌজন্য সাক্ষাৎ গাজীপুর কালিয়াকৈর ভৃঙ্গরাজ গ্রামের সপ্তশতী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ত্রাণ সামগ্রী ও ঔষধ বিতরণ ধামরাইয়ে রক্ত জবা তরুণ সংঘের উদ্যোগে চারশত বছরের সুপ্রাচীন শ্রীশ্রী যশোমাধব মন্দিরে পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালিত

আনোয়ারায় ৯১ বছরের বৃদ্ধার বয়স্ক ভাতা ইউপি সদস্যার ছেলের মুঠোফোনে ।

Spread the love

 সুপন সিকদার সুমন (আনোয়ারা প্রতিনিধি) ঃ- আনোয়ারার ৯১ বছরের বৃদ্ধা অরণ্য বালা দে। সরকার থেকে বয়স্ক ভাতা দেওয়া হয় স্থানীয় বোয়ালগাঁও গ্রামের বিধবা এই নারীকে। তবে অরণ্যের সরকারি এই টাকা চলে যাচ্ছে আনোয়ারা সদর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত (ইউপি) সদস্যা মিনু রানী দত্তের ছেলে নিরোৎপল দত্তের (৩৫) মুঠোফোনে! এ অভিযোগ খোদ বিধবা বৃদ্ধা অরণ্য বালা দে’র। অনুসন্ধানে এর সত্যতাও পাওয়া গেছে। জানা গেছে, ওই বৃদ্ধা ছয় মাসের বয়স্ক ভাতার টাকা না পেলে সমাজসেবা অফিসে যান। সেখানে জানতে পারেন তাঁর জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ০১৮২২৩০৮৬০৫ নম্বরে নগদ অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। সেই অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হচ্ছে। পরে বৃদ্ধার নাতি মিটন দত্ত ওই নাম্বারে যোগাযোগ করে জানতে পারেন অ্যাকাউন্টটি স্থানীয় সংরক্ষিত ইউপি সদস্য মিনু রাণী দত্তের ছেলে নিরোৎপল দত্তের । বৃদ্দার নাতি মিটন দত্ত জানান, বয়স্ক ভাতার টাকা না এলে ঠাকুরমাকে নিয়ে সমাজসেবা অফিসে যোগাযোগ করি। এরপর জানতে পারি স্থানীয় মহিলা ইউপি সদস্যের ছেলের অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয়েছে। যোগাযোগ করলে তারা টাকা ফেরত দেবে বলে জানায়। আজ ২৫ শে জুলাই আমার নানিকে টাকা ফেরত দিতে আসলে সেই টাকা আমরা গ্রহণ করিনি।কারন আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই। এদিকে সংরক্ষিত ইউপি সদস্যা মিনু রাণী দত্ত তাঁর ছেলের অ্যাকাউন্টে টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘অরণ্য বালার ‘নগদ অ্যাকাউন্টের’ কোনো মোবাইল ফোন না থাকায় আমার ছেলের অ্যাকাউন্ট নম্বর সমাজসেবা অফিসে দেওয়া হয়েছে। অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা এসেছে। ওই টাকা ফেরত দিয়ে দেওয়া হবে।’ তিনি আরো জানান, আজ সকালে আমি এলাকার লোকজন নিয়ে টাকা দিতে গেলেও তারা টাকা গ্রহন করেনি। যোগাযোগ করা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জোবায়ের আহমেদ বলেন, ‘একজনের টাকা অন্যজনের অ্যাকাউন্টে যাওয়ার নিয়ম নেই। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’



আমাদের ফেসবুক পেইজ