বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২০, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্ব বিখ‍্যাত শিল্পপতি অম্বরিশ সুখশান্তির খোঁজে সনাতন ধর্মগ্রহন করে হয়ে উঠলেন কৃষ্ণ ভক্ত মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষার্থে নতুন সিটি করপোরেশন প্রশাসকের নিকট মন্দির কমিটির খোলা চিঠি শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন অনাথ আশ্রমে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ লাখাইয়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে দুই দিন ব্যাপী শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব উৎসব পলিত হচ্ছে বন্যার পরেও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে দিগন্তজুড়ে সবুজের সমারোহ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর মায়ের বাড়ি শ্রীশ্রী শচীঅঙ্গন ধামে ডাকাতি শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সুজিত কুমার দাশ শুভ জন্মাষ্টমী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শিক্ষা উপ-মন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ যশোরের ভার্চুয়্যাল আয়োজন শুভ জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন শ্রীকৃষ্ণ দুষ্টকে দমন করে সৃষ্টকে পালন করেছিলো

কন্যারূপে মন্দির প্রতিষ্ঠা করলেনঃ জমিদার

উজ্জ্বল রায় নিজস্ব প্রতিনিধিঃ শিয়ালদা কিংবা হাওড়া থেকে ব্যান্ডেল হয়ে কাটোয়া রেলপথে সোমড়া বাজার রেল স্টেশন। এখানে গ্রাম্য পরিবেশের মধ্যে দিয়ে আঁকাবাঁকা পিচের বাঁধানো পথ ধরে রিকশায় পৌঁছনো যায় সুখাড়িয়া গ্রামে সোমড়া আনন্দময়ী কালীমন্দিরে। ভাগীরথী তীরে সোমড়া ও বলাগড়ের মাঝামাঝি সুখাড়িয়া একটি প্রাচীন ও প্রসিদ্ধ গ্রাম। এখানকার পুরাকীর্তিগুলির মধ্যে বহু দেবালয়ই উল্লেখযোগ্য, যেগুলির অধিকাংশই স্থানীয় প্রসিদ্ধ মুস্তৌফী বংশের প্রতিষ্ঠিত। উজ্জ্বল রায় নিজস্ব প্রতিনিধি জানান, সুস্তৌফী বংশের আদি নিবাস ছিল নদিয়া জেলার উলা-বীরনগর। এক সময় নদিয়াধিপতি কৃষ্ণচন্দ্রের সঙ্গে আনন্দরামের মনোমালিন্য ঘটায় তিনি চলে আসেন বর্ধমানাধিপতি তিলকচাঁদ বাহাদুরের অধীন তৎকালীন বর্ধমান জেলার অন্তর্গত সুখাড়িয়া গ্রামে। বংশানুক্রমে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন এই গ্রামে। শান্ত নির্জন গ্রাম্য পরিবেশে প্রাচীরে ঘেরা আনন্দময়ী কালী মন্দিরটি আজও বুক ফুলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ১৮১৩ সাল থেকে। পঞ্চবিংশরত্ন মন্দিরের একটি অনবদ্য নিদর্শন সুখাড়িয়ার এই মন্দির। তিনতলা বিশিষ্ট মন্দিরে শিখর বা চূড়া আছে মোট পঁচিশটি।

 

ছ’ফুট উঁচু ভিত্তি বেদির উপরে ৭০ ফুট ৮ ইঞ্চি উচ্চতার এই বিশালাকার মন্দিরটি গঠনে ও অলঙ্করণে একটি বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছে সারা বাংলা জুড়ে মন্দিরের সম্মুখভাগে সিংহবাহিনী, তারা, দুর্গা, অন্নপূর্ণা, জগদ্ধাত্রী, রাধাকৃষ্ণ, রাম-লক্ষ্মণ-সীতা, মহাবীর, গণেশ প্রভৃতির মূর্তি ফলকে উৎকীর্ণ আছে। মূর্তিগুলির গঠন, অঙ্গ সঞ্চালন ও মুখভঙ্গি আন্তরিক যত্ন ও নিষ্ঠা সহকারে উৎকীর্ণ হয়েছে বলে দর্শকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। মূর্তিগুলি সবই নয়নাভিরাম, জীবন্ত, অতি মসৃণ ও সুন্দর। এইরকম সুদৃশ্য দেবদেবীর মূর্তি কালনায় বর্ধমান রাজবংশের নির্মিত শিবমন্দিরে এবং বড়নগর মুর্শিদাবাদে রানি ভবানীর চারবাংলা ঠাকুরবাড়ির একটি শিব মন্দিরে ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের আর কোথাও দেখতে পাওয়া যায় না। সুখাড়িয়ার তৎকালীন জমিদার ছিলেন বীরেশ্বর মিত্র মুস্তৌফী। অপুত্রক ছিলেন তিনি। আত্মীয়স্বজনরা পোষ্যপুত্র গ্রহণ করতে অনুরোধ করেন তাঁকে। অনুরুদ্ধ জমিদার বলেন, পুত্র নয়, একটি পোষ্যকন্যা নেবেন তিনি। ১৮১৩ সালে (১৭৩৫ শকাব্দ) নির্মাণ করলেন গোটা বাংলার নয়ন জুড়নো পঁচিশ শিখরের রত্নমন্দির, কন্যারূপে মন্দিরে স্থাপন করলেন আনন্দময়ী কালীমাতার পাথর প্রতিমা। ১৮১৩ সালে কমবেশি ১ টাকা চার আনায় যখন বাংলায় এক মন (৪০ সের) উৎকৃষ্ট চাল পাওয়া যেত তখন সুখাড়িয়া কালীমন্দির নির্মাণে বিরেশ্বরের ব্যয় হয়েছিল এক লক্ষ টাকা। এছাড়াও তিনি দেবীর নিত্যসেবায় দিয়ে যান অগণিত অর্থ।

 

মন্দিরের গর্ভগৃহে সিমেন্টের বেদিতে কাঠের সিংহাসনে শায়িত শিব। শিবের হাত দুটি মাথার দিকে। মা আনন্দময়ী বাবু হয়ে বসে আছেন শিবের মুখের দিকে মুখ করে। মাথায় রুপোর মুকুট। দেবী চতুর্ভুজা। কষ্টিপাথরে নির্মিত বিগ্রহ উচ্চতায় প্রায় তিন ফুট। বসা বিগ্রহের আকর্ষণই আলাদা। ফালা ফালা চোখ দুটো যেন একটা পটলের দুটো ফালি।

মন্দিরের সামনে বিস্তৃত সবুজ প্রাঙ্গণ। এর দু-পাশে দু সারিতে ছ’টি করে প্রতিষ্ঠিত মোট বারোটি শিব মন্দির। এর মধ্যে দুটি পঞ্চরত্ন, বাকি দশটি আটচালা। পঞ্চরত্নের মন্দির দুটির মধ্যে একটি গণেশের। সুখাড়িয়ার আনন্দময়ী কালীমন্দিরে লোহার গ্রিলের দরজায় লেখা আছে,

‘আনন্দময়ী ঠাকুরানী / প্রতিষ্ঠাতা / ৺বীরেশ্বর মুস্তাফি / মন্দির স্থাপিত ১১৭০ সাল।’

 

এই মন্দিরে নিত্য অন্নভোগের ব্যবস্থা নেই। মন্দির খোলা, বন্ধের সময় ও নিয়ম আছে বলে মনে হল না, তবে একটা সুবিধা হল, গ্রিলের দরজা থাকায় যখন খুশি মন্দিরে গেলে মা আনন্দময়ীর দর্শন পাওয়া যায় অনায়াসে।

  • From Sialda or Howrah to Bundel, the Somra Bazar railway station is cut off. The rickshaw can be reached at the rickshaw by the paved path of the pitchway through the rural environment at Somra Anandamayi Kali Temple. Sukhariya is an ancient and famous village between Somara and Balagarh on the Bhagirathi shore. Many of the deities here are noteworthy, most of them established by the locally known Mustaufi clan.
  • The original residence of the Sustafi tribe was Ula-Birnagar in Nadia district. Anandaram became enamored with Krishna Chandra, the nadiyadipati, and he came to Sukharia village under the then Burdwan district under the command of Tillak Chand Bahadur. The clan lived permanently in this village.
  • The joyful Kali Temple, which is surrounded by a wall in a quiet deserted rural environment, has been swelling to this day. One of the most important symbols of the temple is the Sukhriya Temple. The three-storeyed temple has a summit of twenty-five or sixty-five. The 6-foot-4-inch-tall mausoleum on the base of the six-foot-high base holds a prominent place in the construction and decoration of the whole of Bengal.
  • At the front of the temple are carved statues of lions, stars, Durga, Annapurna, Jagadatri, Radhakrishna, Ram-Lakshmana-Sita, Mahabir, Ganesh etc. The composition, organs and facades of the statues draw the viewer’s attention as they have been carved with sincere care and devotion. The statues are all non-stop, lively, very smooth and beautiful. The idols of such beautiful deities are nowhere to be seen in the Shiva Temple built by the Burdwan dynasty in Kalana and the Shiva Temple at Rani Bhavani’s Charbangla Tagore in Baranagar Murshidabad.

 

  • The then landlord of Sukharia was Bireshwar Mitra Mustafi. He was unprotected. Relatives requested him to adopt a adoptive son. The unlucky landlord said he would take a nurse, not a son. In the 5th (5 Shakbat), he built the Ratan Mandir of the nine twin peaks of the whole of Bengal, and built a statue of Anandamayi Kalimata as a daughter. In the year 4 when Taka 4 was brought to Bengal, one man (1 seer) got the finest rice, then Bireshwar spent one lakh taka for the construction of Sukhria Kali Temple. He also spends innumerable money through the goddess’s service.
  • Shiva lies on a wooden throne on the cement altar in the sanctum sanctorum of the temple. Shiva’s hand is on both heads. Mother sits on the face of Shiva, sitting on the cheerful father. Silver crown on the head. Goddess Quadrilateral. The lattice built into the stone is about three feet in height. The attraction of sitting is different. Two stripes of striped eyes are two stripes of a membrane.

 

  • Extreme green courtyard in front of the temple. A total of twelve Shiva temples were set up in two rows on either side. Of these, two are fifty-five, the remaining ten are eight. Ganesh is one of the temples of Pancharatna. The iron grille door is inscribed in Sukhria’s delightful Kali Temple,
  • ‘Anandamayi Thakurani / Founder / Obereshwar Mustafi / Temple was established for 5 years.’
  • There is no provision of daily food in this temple. The temples didn’t seem to be open, closed, and there were rules, but one advantage is that when the door is open on the grill, one can easily see Ma Anandamy’s visit when he goes to the temple/ uzzal roy 



আমাদের ফেসবুক পেইজ