রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গিলানী চা বাগান সহ বিভিন্ন চা বাগানে দূর্গা পূজা উপলক্ষ্যে চলছে প্রতিমায় রংতুলির কাজ অবাঞ্ছিত ওষুধের স্ট্রিপ দিয়ে এলাকায় দুর্গা প্রতিমা তৈরী করলেন কলকাতার এক গৃহবধূ। কিশোর সংঘ পুজা উদযাপন পরিষদ এর গৌরব ও ঐতিহ্যের ৬ যুগ পূর্তি লামা কেন্দ্রীয় গীতা শিক্ষা নিকেতনের দীর্ঘ ২২ বছর পর নতুন কমিটি গঠিত দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর পাকিস্তানে ১২শ বছরের প্রাচীন মন্দির দখলমুক্ত প্রতিমা ভাংচুরের অভিযোগে পিরোজপুরে ৪ কিশোর গ্রেপ্তার রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার লংগদু উপজেলার মাইনীতে সনাতনী শিক্ষার্থীদের মাঝে শ্রীমদ্ভগবদগীতা যথাযথ দান নড়াইলে হিন্দু বাড়ীতে আগুন দেওয়া যুবক রোমান মোল্লা রিমান্ডে বাগীশিক মানিকছড়ি উপজেলা সংসদের এি -বার্ষিক সম্মেলন সম্পূর্ণ নড়াইলে সাহাপাড়ায় হামলার পাঁচজনকে গ্রেপ্তার

ছেলের মৃত্যু শোক ভূলে নিজ হাতে বিধবা বউমার বিয়ে দিলেন শ্বশুর

Spread the love

সুজন চক্রবর্তীঃ আসামপ্রতিনিধিঃ ছেলের মৃত্যু শোককে ভূলে বিধবা বউমার বিয়ে দিলেন শ্বশুর। বউমাকে নিজের মেয়ের মতো ভেবে করলেন তার কন‍্যাদানও। এক অন‍্যন‍্য ঘটনার সাক্ষী থাকল পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়া। জীবনের অনেক দুঃখের মধ‍্যেই আনন্দের হাসি ফুটে উঠল বউমা শুভ্রার মুখে। জানা যায়,২০১৭ সালে পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়ার চৈতন‍্যপুর বরদা গ্রামের শ‍্যামল মালাকারের মেয়ে শুভ্রার সঙ্গে বিয়ে হন সুতাহাটা অনন্তপুর গ্রামের নকুল ঘাঁটির একমাএ ছেলে অর্ণবের। কিন্তু বিয়ের তিন বছরের মাঝে ২০২০ সালের ২০শে অক্টোবর এক মোটরসাইকেল দুঘর্টনায় মৃত্যু হয় তারঁ। অর্ণব ও শুভ্রার একটি পুত্র সন্তান ছিল। স্বামীকে হারিয়ে একাকীত্বে ভুগছিল শুভ্রা। ক্রমেই দুবির্ষহ হয়ে উঠছিল তাঁর জীবন। বউমার এই কষ্ট সহ‍্য করতে পারেননি নকুলবাবু। এরপরই তিনি বউমার ফের বিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। হলদিয়া টাউনশিপের রামগোপাল চকের বিনয় সাঁতরার ছেলে মধুসূদন সাঁতরার সঙ্গে শুভ্রার বিয়ে ঠিক করেন নকুলবাবু।

জানা গেছে, বিয়ের পর তারা দুজনে নকুলবাবুর বাড়িতেই থাকবেন। শুভ্রার তিন বছরের ছেলে মৈনাকের ও দায়িত্ব নেন মুধসূদন। সমাজের চলিত প্রথা ভাঙায় বেশ খুশি তিনি। বউমাকে নিজের মেয়ের মতোই স্নেহেই দেখেন নকুলবাবু। তাই বিয়েতে তিনিই শুভ্রার কন‍্যাদান করেন। সবমিলিয়ে সোমবারের এই বিয়েতে এক অন‍্য ধরনের ঘটনার সাক্ষী থাকলেন হলদিয়ার বাসিন্দারা। বউমাকে কণ‍্যাদান সমাজকে বার্তা দিলেন নকুলবাবু। তাঁর এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন সকলেই। এলাকাবাসী নকুলবাবুর এমন সিদ্ধান্তের বেশ প্রশংসা ও করেছেন।



আমাদের ফেসবুক পেইজ