মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইকবাল পাগল, খাবারের লোভে সব করতে পারে: দাবি পরিবারের সংখ্যালঘু নির্যাতনের প্রতিবাদে প্রতীকী পথ নাটক পরিবেশন করেন নির্মাতা-শিল্পী-তারকারা মাসিক সনাতন বার্তা” পত্রিকার শারদীয় দুর্গা পূজা স্মারকের প্রকাশনা অনুষ্ঠিত চকরিয়ায় শারদীয় দুর্গোৎসব ঘিরে ৪৮টি মন্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তে প্রস্তুতি স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার আয়োজনে পূজার উপহারসামগ্রী পেল আড়াইহাজার হিন্দু পরিবার প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগে জয়পুরহাটে যুবক আটক আনোয়ারা পচ্ছিম রায়পুর লোকনাথ সেবাশ্রমে ত্রিকালদর্শী শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ২৯১ তম আবির্ভাব দিবস সম্পন্ন আনোয়ারায় সৎসঙ্গের বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত বাঁশখালী ঋষিমঠের অনাথ শিশুদের পাশে প্রকৌশলী বিপ্লব দাশ বাপ্পী সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঐক্যবদ্ধ সনাতন সমাজের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগে ত্রিশ বছর তালাবন্ধ ছিল বাবা শিতলনাথের মন্দির

Spread the love

প্রকাশ দেব : দীর্ঘ ৩১ বছর পর খুললো ভারতের শ্রীনগরের হাব্বা কাদালের শীতলনাথ মন্দির। জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য ৩১ বছর আগে বন্ধ হয়ে যায় এই মন্দিরটি। আস্তে আস্তে কমে গিয়েছিল হিন্দুদের সংখ্যাও। তিন দশক পর এলাকার হিন্দু মুসলিম একত্রে শামিল হয়ে যৌথ উদ্যোগে খুললেন মন্দিরের দরজা।

শ্রীনগরের হাব্বা কাদালের এই মন্দিরের নাম শীতলনাথ মন্দির। মঙ্গলবার বসন্ত পঞ্চমীতে মন্দিরে আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ পুজোর। সন্তোষ রাজদান নামে মন্দিরে পুজো দিতে আসা এক ব্যক্তি জানাচ্ছেন, ”জঙ্গিদের অত্যাচারের কবলে পড়ে এই মন্দির বন্ধ রাখা হয়েছিল দীর্ঘ ৩১ বছর। এমনকী, মন্দিরের আশপাশে বসবাসকারী হিন্দুরাও এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। স্থানীয় মুসলিমরা আমাদের খুবই সাহায্য করেছেন মন্দিরটি ফের খোলার বিষয়ে।”

একই দাবি উদ্যোক্তাদের অন্যতম রবিন্দর রাজদানের। স্থানীয় মুসলিমদের অনেকেই যে বন্ধ থাকা মন্দির পরিষ্কার করতেও সাহায্য করেছেন সেকথাও জানান তিনি। তাঁর কথায়, ‘আমাদের মুসলিম ভাইবোনরা পুজোর সামগ্রীও নিয়ে এসেছিলেন। আগে প্রতি বছরই এই দিনে পুজো হত মন্দিরে। এবারও বাবা শীতলনাথ ভাইরাওয়ের জন্মবার্ষিকী পড়েছিল বসন্ত পঞ্চমীতে। তাই এই দিনটিই আমরা বেছে নিয়েছিলাম পুজো শুরু করার জন্য।”

২০১৯ সালের আগস্টে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়া হয় জম্মু ও কাশ্মীর থেকে। রাজ্যটিকে ভাগ করা হয় দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। কয়েকদিন আগেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি রাজ্যসভায় দাবি করেন, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে অনেকটাই কমেছে এখানকার জঙ্গি কার্যকলাপ। তিনি বলেন, ”২০১৯ সালে যেখানে ৫৯৪টি জঙ্গি হানার ঘটনা ঘটেছিল, সেখানে ২০২০ সালে মাত্র ২৪৪টি জঙ্গি হামলা হয়েছে। একইভাবে ২০১৯ সালে পাথর ছোঁড়ার ঘটনা হয়েছিল ২,০০৯টি। ২০২০ সালে এমন ঘটনা ঘটেছে মাত্র ৩২৭টি।”



আমাদের ফেসবুক পেইজ