রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সনাতন ধর্মের ভগবান-কে নিয়ে ফেইসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করায় মামলা দায়ের । প্রবর্তক সংঘের বিরুদ্ধে আবারো মামলা ঠুকছে ইসকন। আদালতের সমন জারি। (ইসকন) ‘জঙ্গি সংগঠন’ হিসেবে আখ্যায়িত ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলা দায়ের। প্রবর্তক সংঘের আবাসিক হোস্টেলে ছাত্রীর আত্মহত্যা কুড়িগ্রামে প্রাচিন গো-মূর্তি উদ্ধার, পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলন একেরপর এক মন্দির চুরির ঘটনা আনোয়ারা দক্ষিণ শোলকাটা গ্রামে ধরা ছোঁয়ার বাইরে অপরাধীরা ওসি প্রদীপ নির্দোষ”সত‍্য উন্মোচনের দাবি সিনিয়র আইনজীবী এ‍্যাড: রানা দাসগুপ্ত রক্ষাকালী মন্দির ও রাস্তাঘাট উন্নয়নে নবনীত পৌর মেয়রের সাথে মতবিনিময় ছিটিয়া পাড়া রক্ষাকালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে ১৬৭ তম প্রতিষ্ঠা দিবস

জঙ্গি কার্যকলাপের অভিযোগে ত্রিশ বছর তালাবন্ধ ছিল বাবা শিতলনাথের মন্দির

Spread the love

প্রকাশ দেব : দীর্ঘ ৩১ বছর পর খুললো ভারতের শ্রীনগরের হাব্বা কাদালের শীতলনাথ মন্দির। জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য ৩১ বছর আগে বন্ধ হয়ে যায় এই মন্দিরটি। আস্তে আস্তে কমে গিয়েছিল হিন্দুদের সংখ্যাও। তিন দশক পর এলাকার হিন্দু মুসলিম একত্রে শামিল হয়ে যৌথ উদ্যোগে খুললেন মন্দিরের দরজা।

শ্রীনগরের হাব্বা কাদালের এই মন্দিরের নাম শীতলনাথ মন্দির। মঙ্গলবার বসন্ত পঞ্চমীতে মন্দিরে আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ পুজোর। সন্তোষ রাজদান নামে মন্দিরে পুজো দিতে আসা এক ব্যক্তি জানাচ্ছেন, ”জঙ্গিদের অত্যাচারের কবলে পড়ে এই মন্দির বন্ধ রাখা হয়েছিল দীর্ঘ ৩১ বছর। এমনকী, মন্দিরের আশপাশে বসবাসকারী হিন্দুরাও এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। স্থানীয় মুসলিমরা আমাদের খুবই সাহায্য করেছেন মন্দিরটি ফের খোলার বিষয়ে।”

একই দাবি উদ্যোক্তাদের অন্যতম রবিন্দর রাজদানের। স্থানীয় মুসলিমদের অনেকেই যে বন্ধ থাকা মন্দির পরিষ্কার করতেও সাহায্য করেছেন সেকথাও জানান তিনি। তাঁর কথায়, ‘আমাদের মুসলিম ভাইবোনরা পুজোর সামগ্রীও নিয়ে এসেছিলেন। আগে প্রতি বছরই এই দিনে পুজো হত মন্দিরে। এবারও বাবা শীতলনাথ ভাইরাওয়ের জন্মবার্ষিকী পড়েছিল বসন্ত পঞ্চমীতে। তাই এই দিনটিই আমরা বেছে নিয়েছিলাম পুজো শুরু করার জন্য।”

২০১৯ সালের আগস্টে ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়া হয় জম্মু ও কাশ্মীর থেকে। রাজ্যটিকে ভাগ করা হয় দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। কয়েকদিন আগেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি রাজ্যসভায় দাবি করেন, ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে অনেকটাই কমেছে এখানকার জঙ্গি কার্যকলাপ। তিনি বলেন, ”২০১৯ সালে যেখানে ৫৯৪টি জঙ্গি হানার ঘটনা ঘটেছিল, সেখানে ২০২০ সালে মাত্র ২৪৪টি জঙ্গি হামলা হয়েছে। একইভাবে ২০১৯ সালে পাথর ছোঁড়ার ঘটনা হয়েছিল ২,০০৯টি। ২০২০ সালে এমন ঘটনা ঘটেছে মাত্র ৩২৭টি।”



আমাদের ফেসবুক পেইজ