শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মৌলভীবাজারে গীতা দান কর্মসূচি বোয়ালখালী শ্রীশ্রী বাবা লোকনাথ ব্রক্ষচারী নবনির্মিত শ্রী মন্দিরের ১২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎসব উপলক্ষে মহানামযজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাহাড়ের চূড়ায় মা কালীর ভক্তদের দীর্ঘ লাইন লামা কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের বিজয়ী সভাপতি বাসু দাশ,সেক্রেটারী বিপুল নাথ গুইমারাতে বার্ষিক গীতা ও নৈতিক শিক্ষা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত রাউজান কদলপুর স্কুল এন্ড কলেজে সনাতনী শিক্ষার্থীদের “শ্রীমদ্ভগবদগীতা যথাযথ” দান চকরিয়া সরকারি কলেজে ৫৬ বছর পর প্রথম বাণী অর্চ্চনা পরিষদ গঠন ও সরস্বতী পুজোর প্রস্তুতি চলছে মৌলভীবাজার জেলা সনাতনী বৈদিক বিদ্যালয়ের অনুমোদন কুড়িগ্রাম ফুলবাড়িতে অসহায় সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের জমি দখলের অভিযোগ বাংলাদেশের নেত্রকোনার সন্তান নলিনীরঞ্জন সরকারের পৈত্রিক সম্পত্তিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণার দাবি।।

মাংস না, প্রিয় ছিল ডাল ভাত, কেরলের নিরামিষভোজী কুমির ৭৫ বয়সে মৃত্যু

Spread the love

সুজন চক্রবর্তী, আসাম( ভারত): পরপারে চলে গেলেন বাবিয়া! বাবিয়া একটি কুমির, পৃথিবীর এক ও অনবদ‍্য কুমির যে আমিষ খাবার খেত না, তাঁর প্রিয় ছিল ভাত- ডাল! ভারতের কেরলের কাসারগড় এলাকার শ্রী আনন্দপদ্মনাভ মন্দিরের পুকুরেই বসবাস করত বাবিয়া নামক কুমির। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। পর্যটকদের মধ‍্যেও কেরলের নিরামিষভোজী কুমিরটিকে নিয়ে আগ্রহ ছিল প্রচুর। কেরলের কাসারগড় জেলার অনন্তপুরায় ওই মন্দিরে যেই যাক না কেন, একবার অন্তত বাবিয়ার দর্শন করতেন। আশ্চর্য কান্ড, কুমির হয়েও বাবিয়া ওই পুকুরে থাকা একটি মাছকেও কোনও দিন আক্রমণ করেনি। স্থানীয়দের বিশ্বাস, কুমিরটি নাকি ভগবানের দূত। মন্দিরের পুরোহিতদের সঙ্গেও ভারী বন্ধুত্ব ছিল কুমিরটি। শান্ত স্বভাব এর বাবিয়া কোনও দিনই কাউকে আক্রমণ করেনি। তবে কবে নাগাদ সে মন্দিরের ওই পুকুরে আশ্রয় নিয়েছিল, বা কে তাঁর নামকরণ করে, সেই বিষয়ে কোনও স্পষ্ট তথ‍্য পাওয়া যায় না। স্থানীয়দের মতে, ৭০ বছরের ও বেশি সময় ধরে ওই মন্দিরে বসবাস করছিল কুমিরটি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব‍্যাপক জনপ্রিয় ছিল বাবিয়া। জানা যায়, দিনে দু’বার মন্দিরের পুরোহিতের হাতেই খেত বাবিয়া। তিনি ভাতের গোলা করে বাবিয়ার মুখে ছুঁড়ে দিতেন। তাদের দুজনের সম্পর্ক সত‍্যিই গাঢ়! পুকুরের একটা মাছ ও কোনও দিন চোখে দেখেনি বাবিয়া। অবাক কান্ড হলেও ১০০ শতাংশ নিরামিষাশী কুমির ছিল বাবিয়া।



আমাদের ফেসবুক পেইজ