শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বসন্তেশ্বরী’র প্রিমিয়ার সো আগামি ১৯ মে ২০২২, বৃহস্পতিবার, চট্টগ্রাম থিয়েটার ইনস্টিটিউট। প্রাবন্ধিক রূপম চক্রবর্ত্তী’র সমাজ রাজনীতি ও সংস্কৃতির খেরোখাতা ভারতে হাইকোর্টের এএসআই দ্বারা তাজমহলের ২২ টি বন্ধ ঘর খোলার অনুমতি ভারতে নাগরিকত্ব পেতে ব্যর্থ হয়ে পাকিস্তানে ফিরে গেছেন প্রায় ৮০০ হিন্দু শরণার্থী। নানান মাঙ্গলিক আয়োজনে অনুষ্ঠিত জাগো হিন্দু পরিষদ পটিয়া উপজেলার কর্মী সম্মেলন বাংলাদেশ মহিলা ঐক্য পরিষদ এর কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার ত্রি বার্ষিক সম্মেলন ২০২২ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সঙ্গে মার্কিন বিশেষ দূতের সঙ্গে বৈঠক মায়ের আর্তনাদে মেয়েদের সম্মেলিত প্রচেষ্টা বাসন্তী পূজায় ও বসন্ত উৎসবে বাগীশ্বরী সংগীতালয় ভারতের উত্তরপ্রদেশ জেলবন্দিদের মানসিক শান্তির জন‍্য শোনানো হবে গায়ত্রী মন্ত্র ও মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র

মাত্র ৫০ টাকা না দিতে পারায়  কাজল রাণীর হাত থেকে বই কেড়ে নিলো প্রধান শিক্ষক আব্দুল রাজ্জাক।

Spread the love

 নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

বনভোজনের জন্য নির্ধারিত ২৫০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা জমা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রী কাজলীর পাঠ্যবই রেখে দেন। নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের গাবরোল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়েএই অমানবিক ঘটনা ঘটে। ওই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী কাজলী রানী রায় বনভোজনের নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত ৫০ টাকা দিতে না পারায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক পাঠ্য বই রেখে স্কুল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই অপমান সহ্য করতে না পেরে কাজলীর বাবা কৃষ্ণ চন্দ্র রায় তার মেয়েকে বাধ্য হয়ে ভর্তি করালেন একই গ্রামের ব্রাক পরিচালিত একটি স্কুলে। জানা যায়, স্কুলের বনভোজনের জন্য সবার কাছেই ২৫০ টাকা করে বাধ্যতামূলক চাঁদা ধরা হয়। কিন্তু বেশির ভাগ ছাত্র/ছাত্রী ২০০ টাকা করে জমা দেয়। অতিরিক্ত ৫০ টাকার জন্য শিক্ষকবৃন্দ ছাত্র/ছাত্রীদের উপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে শিশু কাজলীর পিতা অতিরিক্ত ৫০ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে ২০০ টাকা ফেরত চায়। তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ের শিক্ষকবৃন্দ টাকা ফেরত দেয়।


এসময় প্রধান শিক্ষক আব্দুল রাজ্জাক বলেন, “যেহেতু মেয়েকে বনভোজনে যেতে দিবে না মেয়ের বাবা, কাজলীর বইগুলো এখানে রেখে দিয়ে যাও।” কাজলীর বাবা জানান, অতিরিক্ত ৫০ টাকার জন্য মেয়েটি বাসায় এসে কান্নাকাটি শুরু করে। আমি মেয়েকে নিয়ে স্কুলে গিয়ে বলি এইমুহুর্তে অতিরিক্ত ৫০ টাকা আমি দিতে পারবো না । এসময় শিক্ষকরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় কথা বলে। আমি টাকা ফেরত নিয়ে চলে আসি এবং বলি এই স্কুলে আমি আর মেয়েকে পড়াবো না । শিশু কাজলী কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং বলে টাকা দিতে না পারায় আমার বই গুলো তারা স্কুলে রেখে যেতে বলে। এবং আমাকে ধমক দেয় কোথায় পড়বি আমরা দেখে নিবো। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হয়েও আব্দুর রাজ্জাক একটা কোমলমতি শিশু এবং তার অভিভাবকের সঙ্গে এই আচরণে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ ও বিচার দাবী করেন।



Chat conversation end



আমাদের ফেসবুক পেইজ