বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২০, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্ব বিখ‍্যাত শিল্পপতি অম্বরিশ সুখশান্তির খোঁজে সনাতন ধর্মগ্রহন করে হয়ে উঠলেন কৃষ্ণ ভক্ত মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষার্থে নতুন সিটি করপোরেশন প্রশাসকের নিকট মন্দির কমিটির খোলা চিঠি শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন অনাথ আশ্রমে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ লাখাইয়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে দুই দিন ব্যাপী শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব উৎসব পলিত হচ্ছে বন্যার পরেও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে দিগন্তজুড়ে সবুজের সমারোহ শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর মায়ের বাড়ি শ্রীশ্রী শচীঅঙ্গন ধামে ডাকাতি শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সুজিত কুমার দাশ শুভ জন্মাষ্টমী শুভেচ্ছা জানিয়েছেন শিক্ষা উপ-মন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ যশোরের ভার্চুয়্যাল আয়োজন শুভ জন্মাষ্টমীর অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন শ্রীকৃষ্ণ দুষ্টকে দমন করে সৃষ্টকে পালন করেছিলো

মাত্র ৫০ টাকা না দিতে পারায়  কাজল রাণীর হাত থেকে বই কেড়ে নিলো প্রধান শিক্ষক আব্দুল রাজ্জাক।

 নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

বনভোজনের জন্য নির্ধারিত ২৫০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা জমা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রী কাজলীর পাঠ্যবই রেখে দেন। নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের গাবরোল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়েএই অমানবিক ঘটনা ঘটে। ওই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী কাজলী রানী রায় বনভোজনের নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত ৫০ টাকা দিতে না পারায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক পাঠ্য বই রেখে স্কুল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই অপমান সহ্য করতে না পেরে কাজলীর বাবা কৃষ্ণ চন্দ্র রায় তার মেয়েকে বাধ্য হয়ে ভর্তি করালেন একই গ্রামের ব্রাক পরিচালিত একটি স্কুলে। জানা যায়, স্কুলের বনভোজনের জন্য সবার কাছেই ২৫০ টাকা করে বাধ্যতামূলক চাঁদা ধরা হয়। কিন্তু বেশির ভাগ ছাত্র/ছাত্রী ২০০ টাকা করে জমা দেয়। অতিরিক্ত ৫০ টাকার জন্য শিক্ষকবৃন্দ ছাত্র/ছাত্রীদের উপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে শিশু কাজলীর পিতা অতিরিক্ত ৫০ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে ২০০ টাকা ফেরত চায়। তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ের শিক্ষকবৃন্দ টাকা ফেরত দেয়।


এসময় প্রধান শিক্ষক আব্দুল রাজ্জাক বলেন, “যেহেতু মেয়েকে বনভোজনে যেতে দিবে না মেয়ের বাবা, কাজলীর বইগুলো এখানে রেখে দিয়ে যাও।” কাজলীর বাবা জানান, অতিরিক্ত ৫০ টাকার জন্য মেয়েটি বাসায় এসে কান্নাকাটি শুরু করে। আমি মেয়েকে নিয়ে স্কুলে গিয়ে বলি এইমুহুর্তে অতিরিক্ত ৫০ টাকা আমি দিতে পারবো না । এসময় শিক্ষকরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় কথা বলে। আমি টাকা ফেরত নিয়ে চলে আসি এবং বলি এই স্কুলে আমি আর মেয়েকে পড়াবো না । শিশু কাজলী কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং বলে টাকা দিতে না পারায় আমার বই গুলো তারা স্কুলে রেখে যেতে বলে। এবং আমাকে ধমক দেয় কোথায় পড়বি আমরা দেখে নিবো। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হয়েও আব্দুর রাজ্জাক একটা কোমলমতি শিশু এবং তার অভিভাবকের সঙ্গে এই আচরণে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ ও বিচার দাবী করেন।



Chat conversation end



আমাদের ফেসবুক পেইজ