রবিবার, ২৫ জুলাই ২০২১, ০৬:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবর্তক সংঘের বিরুদ্ধে আবারো মামলা ঠুকছে ইসকন। আদালতের সমন জারি। (ইসকন) ‘জঙ্গি সংগঠন’ হিসেবে আখ্যায়িত ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে মামলা দায়ের। প্রবর্তক সংঘের আবাসিক হোস্টেলে ছাত্রীর আত্মহত্যা কুড়িগ্রামে প্রাচিন গো-মূর্তি উদ্ধার, পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলন একেরপর এক মন্দির চুরির ঘটনা আনোয়ারা দক্ষিণ শোলকাটা গ্রামে ধরা ছোঁয়ার বাইরে অপরাধীরা ওসি প্রদীপ নির্দোষ”সত‍্য উন্মোচনের দাবি সিনিয়র আইনজীবী এ‍্যাড: রানা দাসগুপ্ত রক্ষাকালী মন্দির ও রাস্তাঘাট উন্নয়নে নবনীত পৌর মেয়রের সাথে মতবিনিময় ছিটিয়া পাড়া রক্ষাকালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে ১৬৭ তম প্রতিষ্ঠা দিবস পঞ্চগড়ের বীগঞ্জ উপজেলার সুন্দরদিঘী ইউনিয়নে শ্রীগীতা শিক্ষা নিকেতন এর শুভ উদ্ভোধন

মাত্র ৫০ টাকা না দিতে পারায়  কাজল রাণীর হাত থেকে বই কেড়ে নিলো প্রধান শিক্ষক আব্দুল রাজ্জাক।

Spread the love

 নিজস্ব প্রতিনিধিঃ 

বনভোজনের জন্য নির্ধারিত ২৫০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা জমা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রী কাজলীর পাঠ্যবই রেখে দেন। নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের গাবরোল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়েএই অমানবিক ঘটনা ঘটে। ওই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী কাজলী রানী রায় বনভোজনের নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত ৫০ টাকা দিতে না পারায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক পাঠ্য বই রেখে স্কুল ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই অপমান সহ্য করতে না পেরে কাজলীর বাবা কৃষ্ণ চন্দ্র রায় তার মেয়েকে বাধ্য হয়ে ভর্তি করালেন একই গ্রামের ব্রাক পরিচালিত একটি স্কুলে। জানা যায়, স্কুলের বনভোজনের জন্য সবার কাছেই ২৫০ টাকা করে বাধ্যতামূলক চাঁদা ধরা হয়। কিন্তু বেশির ভাগ ছাত্র/ছাত্রী ২০০ টাকা করে জমা দেয়। অতিরিক্ত ৫০ টাকার জন্য শিক্ষকবৃন্দ ছাত্র/ছাত্রীদের উপর মানসিক চাপ প্রয়োগ করে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে শিশু কাজলীর পিতা অতিরিক্ত ৫০ টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে ২০০ টাকা ফেরত চায়। তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ের শিক্ষকবৃন্দ টাকা ফেরত দেয়।


এসময় প্রধান শিক্ষক আব্দুল রাজ্জাক বলেন, “যেহেতু মেয়েকে বনভোজনে যেতে দিবে না মেয়ের বাবা, কাজলীর বইগুলো এখানে রেখে দিয়ে যাও।” কাজলীর বাবা জানান, অতিরিক্ত ৫০ টাকার জন্য মেয়েটি বাসায় এসে কান্নাকাটি শুরু করে। আমি মেয়েকে নিয়ে স্কুলে গিয়ে বলি এইমুহুর্তে অতিরিক্ত ৫০ টাকা আমি দিতে পারবো না । এসময় শিক্ষকরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় কথা বলে। আমি টাকা ফেরত নিয়ে চলে আসি এবং বলি এই স্কুলে আমি আর মেয়েকে পড়াবো না । শিশু কাজলী কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং বলে টাকা দিতে না পারায় আমার বই গুলো তারা স্কুলে রেখে যেতে বলে। এবং আমাকে ধমক দেয় কোথায় পড়বি আমরা দেখে নিবো। সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হয়েও আব্দুর রাজ্জাক একটা কোমলমতি শিশু এবং তার অভিভাবকের সঙ্গে এই আচরণে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ ও বিচার দাবী করেন।



Chat conversation end



আমাদের ফেসবুক পেইজ