সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে অবসরপ্রাপ্ত কলেজে  শিক্ষক হত্যার ঘটনায় কেয়ারটেকার সহ ৪ জনকে আটক নড়াইলে অষ্টমী ও কুমারী পূজাঁ অনুষ্ঠিত বাগীশিক চট্রগ্রাম মহানগর সংসদ এর উদ্যােগে শারদীয় দূর্গা পূজা উপলক্ষ্য বস্ত্র বিতরণ, সেলাই মেশিন প্রদান ও নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিতরণ অনুষ্টিত নড়াইলের পল্লীতে হিন্দু কলেজ শিক্ষককে গলা কেটে হত্যা! প্রিয় চট্টলাবাসীকে শারদীয়া দুর্গা পূজার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন শ্রী রাজীব তালুকদার বাংলাদেশ গীতা শিক্ষা কমিটি (বাগীশিক)-চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সংসদের উদ্যোগে অনাথদের নিয়ে শারদোৎসব পালিত বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোট-চট্টগ্রাম মহানগরের আহবায়ক কমিটি অনুমোদিত বোয়ালমারীতে প্রতিমা ভাংচুর, গ্রেফতার নয়ন শেখ ও রাজু শেখ মৃণাল কান্তি বসু ও দিপক কান্তি বসুর পূর্বপুরুষরা জমিদার ছিলেন লাখাইয়ে পুজা উদযাপন পরিষদ কতৃক বস্তু বিতরণ

শ্রীমতি রাধারাণীর কৃপা লাভ হলে শ্রীকৃষ্ণের কৃপা পেতে সহজ হবে

 
রনজিত কুমার পাল (বাবু) ঢাকা জেলা প্রতিনিধি –
“রাধারাণী হচ্ছে হরিপ্রিয়া। কৃষ্ণের অত্যন্ত প্রিয়। তাই আমরা যদি রাধারাণীর মাধ্যমে, তাঁর কৃপাকে আশ্রয় করে কৃষ্ণের কাছে যেতে চাই, তাহলে তা অনেক সহজ হবে। রাধারাণী যদি সুপারিশ করেন যে এই ভক্তটি খুব চমৎকার, কৃষ্ণ তাহলে সঙ্গে সঙ্গে সেই ভক্তকে গ্রহণ করেন। তাই দেখবেন বৃন্দাবনের ভক্তরা কৃষ্ণের থেকেও রাধার নাম বেশি জপ কীর্তন করেন। যেখানেই যাও, দেখবে ভক্তরা “জয় রাধে” বলে সম্বোধন করছে। এখনও বৃন্দাবনে এমনই চলছে। তারা রাধারাণীর মহিমা কীর্তন করছে।
 
তারা রাধারাণীর আরাধনা করতে বেশি আগ্রহী। কেননা আমি যতই অধঃপতিত হই না কেন, কোনো না কোনো ভাবে যদি রাধারাণীকে খুশী করতে পারি, তাহলে কৃষ্ণকে উপলব্ধি করা আমার পক্ষে খুবই সহজ হযে পড়বে। অন্যথায় যদি জল্পনা কল্পনার মাধ্যমে কৃষ্ণকে বুঝতে চাও, তাহলে বহু জন্ম লেগে যাবে। কিন্তু যদি ভক্তিমূলক সেবায় নিযুক্ত হও, শুধু রাধারাণীকে খুশি করার চেষ্টাকর, তাহলে খুব সহজেই কৃষ্ণকে লাভ করতে পারবে। কেননা রাধারাণী কৃষ্ণকে প্রদান করতে পারেন। তিনি এতই মহান ভক্ত।
 
মহাভাগবতের প্রতিমূর্তি স্বরূপা। এমনকি কৃষ্ণও রাধার গুণ মহিমা বুঝতে পারে না। এমনকি কৃষ্ণ, যিনি বলেছেন “আমি সব জানি” বেদাহং সমতীতানি (গীতা ৭/৬), তিনিও রাধারাণীকে বুঝতে ব্যর্থ হন। রাধারাণী এতই মহান। রাধারাণীকে উপলব্ধি করার জন্য কৃষ্ণ রাধারাণীর ভাবমূর্তি গ্রহণ করেছেন। কৃষ্ণ রাধারাণীর শক্তি বুঝতে চেয়েছেন। কৃষ্ণ ভেবেছেন যে, অমি সর্বতোভাবে পূর্ণ। কিন্তু তবুও আমি রাধারাণীকে বুঝতে চাই। কেন? এই প্রবণতা থেকেই কৃষ্ণ রাধার ভাব গ্রহণ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। কৃষ্ণ স্বয়ং নিজেকে বুঝতে চেয়েছিলেন। এগুলি অবশ্য অত্যন্ত মহান বিজ্ঞান। যারা কৃষ্ণভাবনামৃতে অত্যন্ত উন্নত এবং শাস্ত্রে অত্যন্ত পারদর্শী তারা এগুলি বুঝতে পারে। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমরা শাস্ত্র থেকে এসব আলোচনা করতে পারি। যখন কৃষ্ণ নিজেকে বুঝতে চাইলেন, তিনি শ্রীমতী রাধারাণীর ভাব প্রবণতা গ্রহণ করলেন।
 
আর সেটিই হল শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু। রাধারাণী সর্বদাই কৃষ্ণ বিরহ অনুভব করছেন। অনুরূপভাবে, রাধারাণীর ভূমিকায় ভগবান শ্রীচৈতন্যদেবও কৃষ্ণবিরহ অনুভব করছিলেন। এই হচ্ছে চৈতন্যদেবের শিক্ষা, বিরহ অনুভব, মিলন নয়। চৈতন্য মহাপ্রভু এবং তাঁর পরম্পরা প্রদর্শিত ভক্তিমূলক সেবার শিক্ষা পদ্ধতিটি হল, কিভাবে কৃষ্ণ থেকে বিরহ অনুভব করা যায়। এটিই হল রাধারাণীর অবস্থা-সর্বদাই বিরহয়ে অনুভব করা। (সংগ্রহীত”)



আমাদের ফেসবুক পেইজ