রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
একজন দুঃখীনি মায়ের গল্প কৃষ্ণকলি ইমু গ্রুফের শ্রীমদ্ভাগবদগীতা পাঠ ও ভজনগীতি প্রতিযোগীতা ২০২১ এর ফাইনাল রাউন্ড   অনুষ্ঠিত। এড.তপন কান্তি দাশের শুভ জন্মদিনে বিভিন্ন সংগঠনের শুভেচ্ছা বার্তা গীতাঞ্জলি মাতৃ সম্মিলনী এর মানবিক প্রয়াস কৃষ্ণকলি ইমু গ্রূপ’র শ্রীমদ্ভাগবত গীতা ও ভজনগীতির ফাইনাল রাউন্ড ৩০শে এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টায় ধামরাইয়ে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ -২০২১ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও গর্ভবতী মায়েদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কিশোরগঞ্জ গুরু দয়াল সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যাপক প্রানেশ কুমার চৌধুরীর পরলোকগমন। সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির কোটা বণ্টনে শিক্ষার্থীদের তথ্য চেয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ধামরাইয়ে শ্রীশ্রী যশোমাধব মন্দির কমিটির সদস্য অমিয় গোপাল বনিকের পরলোকগমন বোয়ালখালীতে সংগীতশিল্পী ও গীতাপাঠক বিধান দাসের গীতা পাঠের মাধ্যমে সূর্য মোহন দাসের ক্রিয়া ও গীতাপাঠ অনুষ্ঠান সম্পন্ন

হিন্দু মেয়ের সাথে প্রথমে মিথ্যা পরিচয়ে বন্ধুত্ব অতঃপর অপহরন (ভিডিও-সহ)

Spread the love

 বিশেষ প্রতিনিধিঃ ছেলের নাম আরিফ। পিতা বাদশা মিয়া এবং মাতার নাম রোসনা বেগম। ঠিকানা রংপুর সদর। পরিবারের সকলে ও এলাকার সকলে মো. রিপন নামেই চিনলেও তার আড়ালে তার আরো একটি নাম রয়েছে রিপন দাস। রিপন দাস নামটি সে কোনো শখে রাখেনি। রেখেছিলো ফেনীর পূজা রানী দাস নামে এক বিবাহিত মেয়েকে অপহরণ করে সেই মেয়েকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার লক্ষ্যে। এতে সে সফলতা লাভ করেছে। কিন্তু মেয়ে তার বুদ্ধিমত্তা পরিচয় দিয়ে নিজেকে রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে। পরিচয়ের সূত্রপাত ঘটে সোশ্যাল মাধ্যমে। তবে পরিচয়টি কি তার হয়েছিলো মুসলিম ছেলের সাথে।

না পরিচয় হয়েছিলো হিন্দু নামধারী রিপন দাসের সাথে। পরিচয়ের পরবর্তীতে ধীরে ধীরে তাদের বন্ধুত্ব গভীর হয়ে পড়ে। রিপনও বিভিন্ন মন্দির ঘুরে কপালে তিলক লাগিয়ে মেয়েকে বিশ্বাস করাতে সক্ষম হয় সে হিন্দু। পরবর্তীতে তারা দেখা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে৷ কিন্তু এই সিদ্ধান্ত কাল হয়ে দাড়াই মেয়ের। মেয়েকে ছেলে বলপূর্বক অপহরণ করে। ছেলে তার পরিবারের সাহায্য নিয়ে মেয়েকে জোড় পূর্বক ধর্মান্তরিত করে এবং রিপন দাস ওরফে মো. রিপনের সাথে ইসলাম মতে বিয়ে করে। সাথে চলতে থাকে মেয়ের উপর অমানবিক নির্যাতন।

পরে মেয়ে পুলিশের সাথে গোপনে যোগাযোগ করে নিজেকে রক্ষা করে। এতে পুলিশকে সাহায্য করে মানবাধিকারের কর্মীগণ। সেই নরপশু হতে বেঁচে এসেও পূজা রানী দাস এখনো তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারছেন না। প্রতিনিয়ত ছেলে তার পরিবারকে হুমকি দিয়ে আসছে। তাছাড়া সে ফেসবুকে লাইভে এসেও বিভিন্ন ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ করছে। তাছাড়া মেয়েকে আটকে রেখে ছেলে কিছু অপ্রীতিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে।

যা সে বিভিন্ন আইডি হতে বিভিন্ন গ্রুপে প্রচার করছে। এতে মেয়ে সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙ্গে পড়ছে। পূজা রানী দাস এবং তার পরিবার এই বিষয়ে সকল উর্দ্ধতন কর্মকর্তার এবং সংঘটনের নিকট অনুরোধ জানান তাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর জন্য।



আমাদের ফেসবুক পেইজ